এই বিভূতিকে তো কোনোদিন দেখিনি! ‘মরণের ডঙ্কা বাজে’ গল্পটার অডিওবুক শুনলাম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পটভূমি নিয়ে লেখা। চীনের মাটিতে জাপানিজ মিলিটারির চালানো নৃশংসতা ফুটে উঠেছে গল্পে। পুরো গল্প জুড়েই আছে যুদ্ধের আমেজ। পরিস্থিতির বিবরণ অনবদ্য। গল্পটার লেখক কিন্তু বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়! হ্যাঁ, পথের পাঁচালী, আরণ্যকের বিভূতিভূষণ! বাংলার গ্রামে-গঞ্জে সফর করানো বিভূতি আমাদেরকে নিয়ে গিয়েছিলেন মিয়ানমারের রেঙ্গুন, সিঙ্গাপুর সিটি হয়ে সাংহাই-চীনে! এই সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে লেখকের জ্ঞান এবং ডাইভার্স লিটেরারি ক্যাপাবিলিটি প্রকাশ পেয়েছে।
পড়তে পারেন। বা শুনতে পারেন। বিভূতির লেখা ‘মরণের ডঙ্কা বাজে’।